নিচে উপকারীতা ও ব্যবহার দেওয়া হলো।
১)
আঁশযুক্ত খাবার
দেহের
জন্য
উপকারী। এটি
হজমও
হয়
দ্রুত। লেটুস
একটি
আঁশযুক্ত সবজি। এতে
অতি
অল্প
পরিমাণ
কোলেস্টরেল রয়েছে
এবং
হৃদযন্ত্রের জন্য
উপকারী।
২)
কিডনির
সমস্যার জন্য
যেসব
রোগীদের প্রস্রাবের পরিমাণ
কমে
যায়
তাদের
জন্য
লেটুসপাতা ভীষণ
উপকারী। এই
পাতার
সোডিয়াম ভিটামিন ‘বি’
ওয়ান,
‘বি’
টু,
‘বি’
থ্রি
শরীরের
যেকোনো
অঙ্গে
পানি
জমে
যাওয়া
রোধ
করে।
৩)
লেটুসপাতাতে রয়েছে
৯৫.৫ গ্রাম পানি।
এই
পানি
রক্তের
লোহিত
রক্তকণিকা, শ্বেতকণিকা, অনুচক্রিকা ও
অন্যান্য উপাদানকে সুস্থ-সবল রাখে। এতে
পানির
পরিমাণ
বেশি
হওয়ার
জন্য
মোটা
ব্যক্তিদের চর্বি
ও
ওজন
কমায়।
৪)
বিস্ময়
বোধ
করছেন?
কিছু
লেটুসের জাত
রয়েছে
যাতে
প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’
রয়েছে।
বিপাকক্রিয়ায় এর
ভূমিকা
অপরিহার্য। তা
ছাড়া
এই
পুষ্টি
উপাদানকে বলা
হয়
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। ভিটামিন ‘এ’-এর অন্যান্য গুণের
কথা
সবাই
জানেন।
৫)
ত্বকের
কোথাও
কেটে
বা
ছিঁড়ে
গেলে
এই
পাতাকে
থেঁতলে
ব্যথার
স্থানে
লাগালে
ব্যথা
ভালো
হয়।
৬)
গর্ভবতী মায়েরা
কাঁচা
লেটুসপাতা খেলে
মা
ও
শিশু
উভয়ের
শরীরেই
রক্তের
মাত্রা
বাড়ে।
৭)
সব
ধরনের
সবুজ
পাতার
সবজিতে
কিছু
না
কিছু
আয়রন
রয়েছে।
নারীদের ঋতু
চলাকালে যে
রক্ত
বের
হয়ে
যায়,
সে
সময়
আয়রনের
প্রয়োজন হয়।
গর্ভবতী অবস্থাতেও আয়রনের
প্রয়োজন পড়ে।
তাই
খাবারের সঙ্গে
পছন্দমতো উপায়ে
লেটুস
ব্যবহার করুন।
৮)
যারা
লেটুসপাতা নিয়মিত
খান
তাদের
পেট
ভার
হয়ে
থাকা,
গ্যাস
হওয়া,
ক্ষুধা
না
লাগা,
অ্যাসিডিটি—এই
সমস্যাগুলো দূর
হয়।
বার্ধক্য আসে
দেরিতে,
ত্বকে
বলিরেখাও পড়ে
দেরিতে।
৯)
খুব
অল্প
পরিমাণ
প্রোটিন থাকলেও
প্রতিদিন পেতে
লেটুস
একটি
উপায়
হতে
পারে।
প্রোটিন দেহের
পেশি
গঠনে
মূল
ভূমিকা
রাখে।
তাই
সালাদে
শিমের
বীচির
সঙ্গে
লেটুস
ব্যবহার করলে
প্রচুর
প্রোটিন পাবেন।
১০)
চোখের
ইনফেকশনজনিত সমস্যায় (যেমন—চোখ ওঠা) এক
বা
দুই
লিটার
পানিতে
সামান্য লেটুসপাতা (৫০
গ্রাম)
প্রায়
ছয়
মিনিট
ফুটিয়ে
সেই
পানিতে
চোখ
ধুলে
চোখ
ওঠা
দ্রুত
ভালো
হয়।
চোখের
অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরও
এই
ফুটানো
পানি
ঠাণ্ডা
করে
ব্যবহার করলে
চোখের
ক্লান্তি দূর
হয়।
১১)
এই
উপাদানটিও খুব
বেশি
থাকে
না।
তবুও
নিয়মিত
ক্যালসিয়াম পেতে
পারেন
লেটুস
থেকে।
হাড়
এবং
দাঁতের
গঠনে
ক্যালসিয়ামের বিকল্প
নেই।
অন্যান্য ক্যালসিয়ামপূর্ণ খাবারের সঙ্গে
লেটুস
মেশাতে
পারেন।
১২)
ভিটামিন ‘বি’-এর বিভিন্ন ধরন
রয়েছে।
এগুলো
ভিন্ন
ভিন্ন
খাবারের উৎস
থেকে
আসে।
বিশেষ
করে
মাংসে
পাওয়া
যায়।
কিন্তু
লেটুসে
কয়েক
ধরনের
ভিটামিন ‘বি’
রয়েছে।
তাই
লেটুস
খেতে
পারেন।
১৩)
খুশকির
বিরুদ্ধেও কাজ
করে
এই
পাতা।
অনেক
শ্যাম্পুতে লেটুসপাতার গুঁড়া
ব্যবহার করা
হয়।
১৪)
দীর্ঘ
সময়
রৌদ্রে
থাকলে
ত্বকে
কালচে
পোড়া
ভাব
হয়।
লেটুসপাতা থেঁতলে
ত্বকে
দিলে
ত্বকের
উপকার
হয়।
১৫)
এই
উপাদানটি রক্তের
জন্য
উপকারী। রক্তে
পটাসিয়ামের পরিমাণ
অতিমাত্রায় কমে
গেলে
হার্ট
অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে।
লেটুস
পাতা
থেকে
যথেষ্ট
পরিমাণ
পটাসিয়াম পাওয়া
যায়।