প্রাকৃতিক উপায়ে এবং ঘরোয়াভাবে গায়ের রং
ফরসা করার রয়েছে সহজ উপায়। শুধু তা-ই নয়, এভাবে যে ফরসা রংটা আপনি পাবেন
সেটা হবে স্থায়ী। সৌন্দর্য সেটাই, যা ভেতর থেকে আসে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক
প্রাকৃতিকভাবে রং ফরসা করার দুটি পদ্ধতি।
দুধ ও কাঁচা হলুদ
রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ
যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ দুধে আধা চা-চামচ কাঁচা
হলুদবাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে
নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফরসা।
দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে
পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে
কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রং ধারণ করলে
পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন।
কাঁচা হলুদ
শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রং ফরসা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে, কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর।
শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রং ফরসা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে, কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর।
উপকরণ : দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদবাটা ১ চা-চামচ।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
দুধ, লেবুর রস ও হলুদবাটা একসঙ্গে মিশিয়ে
একটি মিশ্রণ বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালোভাবে লাগিয়ে
প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে
পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ
ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের
রং হয়ে উঠবে ফরসা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর।
তাহলে আর দেরি কেন? বাড়িতে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে নিজে থেকে হয়ে উঠুন ফরসা, সুন্দর।