18 August 2014

ভেজাল সার চেনার উপায় জেনে নিন

ইউরিয়া সার সঠিক ভাবে চেনার আসল উপায়:
১. ভাল বা আসল ইউরিয়া সারের দানাগুলো সমান আকৃতির হবে।
২. ইউরিয়া সারে সাধারণত ভেজাল দ্রব্য হিসেবে সাধারণত কাচের গুড়া ও লবণ ব্যবহার করা হয়।
৩. অল্প পরিমাণে চা চামচে সার নিয়ে আগুনের তাপ দিলে ১-২ মধ্যে  অ্যামোনিয়া গ্যাসের ঝাঁঝালো গন্ধ বের হবে এবং সার গলে যাবে আর যদি গন্ধ ও না গলে তাহলে বুঝতে হবে ভেজাল।
টিএসপি সার ভেজাল কিনা চেনার উপায়:
১. টিএসপি সার পানিতে মিশানো হলে সাথে সাথে গলবে না যদি গলে তাহলে বুঝতে হবে ভেজাল।
২. টিএসপি সার যদি আসল হয় তবে পানিতে দিলে ৪-৫ ঘণ্টা পর পানিতে মিশবে।
ডিএপি আসল সার চেনার উপায়:
১. অল্প পরিমানে ডিএপি সার চা চামুচে নিয়ে একটু আগুনে গরম করলে এক থেকে ডের মিনিটের মধ্যে অ্যামোনিয়া গ্যাসের ঝাঁঝালো গন্ধ বের হয়ে গলে যাবে যদি তা না গলে যায় তবে বুঝতে হবে যে সারটি আসলেই ভেজাল আর যদি আংশিক গলে যায় তবে আংশিক ভেজাল।
২. কিছু পরিমান ডিএপি সার হাতের তালুর  মুঠোয় নিয়ে চুনের সাথে যোগ করে ডলা দিলে অ্যামোনিয়া গ্যাসের  ঝাঁঝালো গন্ধ বের হবে যদি অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ বের না হয় তাবে বুঝে নিতে হবে সারটি সম্পূর্ণরুপে ভেজাল আছে
এমওপি বা পটাশ সার আসল না ভেজাল চেনার উপায়: ১. এমওপি সারকে পটাশ সার বলা হয়। এই সারের সাথে ইটের গুড়া ভেজাল হিসাবে মিশিয়ে দেয়া হয়
২. এক গ্লা পানি নিয়ে তাতে এমওপি সার বা পটাশ মিশালে সার সম্পূর্ণরুপে গলে যাবে তবে ইট বা অন্য কোন দ্রব্য ভেজাল হিসাবে মিশানো লে সার পানিতে গলে না গিয়ে পানির গ্লাসের তলায় তলানি পড়বে তলানি দেখে সহজেই বুঝতে পারা যাবে সারটি আসলেই আসল নাকি ভেজাল আছে 
জিংক সালফেট সার আসল কিনা চেনার উপায়: ১. জিংক সালফেট কে বাংলায় দস্তা সার বলা হয়।
২. জিংক সালফেট সারে ভেজাল দ্রব্য হিসাবে পটাশিয়াম সালফেট মেশানো হয়ে থকে জিংক সালফেট বা দস্তা সার চেনার জন্য এক চিমতি জিংক সালফেট দস্তা সার হাতের তালুতে নিতে হবে এবং তার সাথে সমানপরিমান পটাশিয়াম সালফেট নিয়ে ঘষা দিলে ঠান্ডা মনে হবে দইয়ের মতো গলে যাবে আর যদি না গলে তবে বুঝতে হবে ভেজাল আছে।