ধ্যানমগ্ন অবস্থায় থাকা এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর মমি পাওয়া গিয়েছে মঙ্গোলিয়াতে। মমিটি দুই পা আড়াআড়িভাবে আর দুই হাত ভাঁজ করে পদ্মাসনে বসে ছিল। মঙ্গোলিয়া’স মর্নিং নিউজ সূত্রে জানা যায়, দেশটির রাজধানী উলানবাটারের সঙ্গিনো খাইরখান জেলায় পাওয়া গিয়েছে মমিটি।
ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজোনার নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং Je Tsongkhapa Endowment for Central and Inner Asian Archaeology এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডঃ জন ওলসেন বলেন, ‘এই অঞ্চলে যে বৌদ্ধধর্মের চর্চা হতো সেটা প্রমাণ করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার’।
দ্য সাইবেরিয়ান টাইমস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, পুলিশ একজন ব্যক্তির বাসা থেকে মমিটি উদ্ধার করে। সে একটি গুহা থেকে মমিটি পাওয়ার পর তা লুকিয়ে রেখেছিল কালোবাজারে বিক্রি করার জন্য।
বিশেষজ্ঞরা জানায়, মমিটি ২০০ বছরের বেশি সময় আগেকার। উলানবাটারের একটি ফরেনসিক ল্যাবে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য মমিটি রাখা হয়েছে।
ওলসেন বলেন, ‘মধ্য এবং পূর্ব এশিয়ার কিছু কিছু জায়গায় ধর্মীয় নেতাদের যাদের প্রচলিতভাবে লামা সম্বোধন করা হয় তাদের মৃতদেহ মমি করে রাখাটা বৌদ্ধদের একটি ধর্মীয় রীতি ছিল’।
মমিটি আরো বিশ্লেষণ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বংশ পরম্পরা সম্পর্কে বিস্তারিত অনেক কিছুই জানা যেতে পারে। ভারতের বৌদ্ধরা উত্তরে তিব্বত এবং তারও দূরে মঙ্গোলিয়ার কীভাবে গেলো সে ব্যাপারে হয়তো জানা যেতে পারে।
অনুকূল আবহাওয়া এবং মমি করে রাখার কারণে মৃতদেহটি এতোদিন সংরক্ষিত ছিল।
দ্য সাইবেরিয়ান টাইমস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, পুলিশ একজন ব্যক্তির বাসা থেকে মমিটি উদ্ধার করে। সে একটি গুহা থেকে মমিটি পাওয়ার পর তা লুকিয়ে রেখেছিল কালোবাজারে বিক্রি করার জন্য।
বিশেষজ্ঞরা জানায়, মমিটি ২০০ বছরের বেশি সময় আগেকার। উলানবাটারের একটি ফরেনসিক ল্যাবে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য মমিটি রাখা হয়েছে।
ওলসেন বলেন, ‘মধ্য এবং পূর্ব এশিয়ার কিছু কিছু জায়গায় ধর্মীয় নেতাদের যাদের প্রচলিতভাবে লামা সম্বোধন করা হয় তাদের মৃতদেহ মমি করে রাখাটা বৌদ্ধদের একটি ধর্মীয় রীতি ছিল’।
মমিটি আরো বিশ্লেষণ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বংশ পরম্পরা সম্পর্কে বিস্তারিত অনেক কিছুই জানা যেতে পারে। ভারতের বৌদ্ধরা উত্তরে তিব্বত এবং তারও দূরে মঙ্গোলিয়ার কীভাবে গেলো সে ব্যাপারে হয়তো জানা যেতে পারে।
অনুকূল আবহাওয়া এবং মমি করে রাখার কারণে মৃতদেহটি এতোদিন সংরক্ষিত ছিল।