এই পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে যে বিষয়টা সবচেয়ে আদিম ও চলমান তা হলো নারী
পুরুষের প্রেম। নারী পুরুষের প্রেমের একটি চরমতম রূপ হচ্ছে নারী পুরুষের
দৈহিক মিলন বা সেক্স। আমরা দৈহিক মিলন বা সেক্সের ব্যাপারে কথা বলতে গেলেই
যথেষ্ট আড়ষ্ট অনুভব করি।অন্যান্য বিষয়ের মত অত সহজভাবে আমরা এ নিয়ে কথা বলি
না। কিন্তু সেক্স বা সহবাস এর সাথে মানুষের স্বাস্থ্যজনিত বেশ কিছু বিষয়
বেশ ভালভাবে জড়িত। এ বিষয়গুলো মানুষের কাছে পরিষ্কার হওয়া খুবই জরুরি।
সুন্দর জীবনের জন্য মানুষকে অবশ্যই কিছু নিয়ম অনুসরন করা উচিত এবং কিছু
বিষয় জানা জরুরি।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকে নারী পুরুষের দৈহিক মিলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন
একটি বিষয়। নির্দিষ্ট সময়ে যারা বিয়ে করেন না, তাদের জীবনে এক ধরনের হতাশার
সৃষ্টি হয়। কারন নির্দিষ্ট বয়সে যৌন চাহিদা পূর্ন না হলে এক ধরনের হতাশার
সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর সে জায়গা থেকে এই হতাশার ছাপ পরে অন্যান্য
কাজেও। এমনকি শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে যারা বিবাহ বহির্ভুত
অসংখ্য শারীরিক সম্পর্কে বিশ্বাসী, তাদের জন্যেও বেশ সমস্যা রয়েছে। যথেচ্ছ
যৌনাচারের প্রতি যেমন ধর্মগুলোতে নিষেধ রয়েছে তেমনি চিকিৎসা বিজ্ঞানও এই
যথেচ্ছ যৌনাচারের ব্যাপারে মানুষকে অনুৎসাহিত করে।
তবে নারী পুরুষের নিয়মিত যৌনমিলন তাদের দাম্পত্য জীবনকে আরো সুখের ও
প্রশস্তিময় করে তোলে। গবেষনায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পরস্পরের সাথে
যৌনমিলনে অভ্যস্ত তাদের মন অনেক প্রফুল্ল থাকে এবং তাদের সন্তানেরা বেশ
আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে ওঠে। বাবা-মা’র বন্ধুসুলভ ভালবাসার সম্পর্ক তাদের
জন্য অনেক উপকারী।
যৌনমিলনের ক্ষেত্রে অবশ্যই বেশ কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত। যেমন-
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন স্থান ও কাপড় চোপর থাকা একান্ত প্রয়োজন। যৌনমিলনের সময়
যে কনডমটি ব্যবহার করা হবে সেটিও ভালমত পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। এমনকি কনডম
পরিধানের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সতর্ক হওয়া একান্ত প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে
অসাবধানতাবশত কনডম ভেতরে থেকে যায় যা অনেক ঝুঁকিপুর্ন এবং অপ্রত্যাশিত। এ
ছাড়া বর্তমান সময়ে অত্যধিক পর্ন আসক্তির জন্য যুবক যুবতীরা নিজেদের ভেতরে
যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে এসব পর্নের কার্যক্রমকে অনুসরনের চেষ্টা করে, তবে তা
একেবারেই উচিত নয়। পর্নের সব কিছুই মূলত পাতানো, কাজেই সেটাকে অনুসরন করার
চেষ্টা মোটেই বুদ্ধিদীপ্ত কাজ নয়।